রোজনামচা-ভদ্রলোকের রাজনীতি শাট-আপ আদিত্যনাথ ও মায়াবতী

Please follow and like us:
0

নির্বাচন কমিশন দুই বিদ্বেষীর মুখ বন্ধ করার নির্দেশ দিল আগামী তিন ও দুই দিনের জন্য

রোজনামচা প্রতিবেদনঃ

ভারতীয় রাজনীতিতে কু-কথার বন্যা নাকি স্বাভাবিক ব্যাপার। অন্তত আমরা তো এ ব্যাপারে বেধড়ক শান্তিপ্রিয় ও সাতে পাঁচে না থাকা মানুষ। তবে প্রবাসী ভারতীয় হরপ্রীত মনশুখানি ভাগ্যিস আমাদের মতো নন। ভোটের বাজারে মাত্রাছাড়া ঘৃণার বক্তৃতায় প্রথম শ্রেণীর দুই প্রথম ব্যক্তিত্বকে যে ১৬ এপ্রিল থেকে মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন, তা ওই হরপ্রীত মনসুখানির জন্যই।

হরপ্রীত এক জনস্বার্থ মামলা করেন। গোদা বাংলায় সে মামলায় তিনি বলেছিলেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও বসপা নেত্রী মায়াবতী, ঘৃণার যে বিষবাস্প ছড়াচ্ছেন, এর একটা বিহিত হওয়া প্রয়োজন। আমাদের নির্বাচন কমিশন যথারীতি গা বাঁচিয়ে জানিয়েছিল, তাদের ক্ষমতা সীমিত। বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের জন্য তারা বড়জোর নোটিশ পাঠাতে পারে, তার বেশি সাধ্য তাদের নেই। তারা জবাবদীহি করলেও কঠিন কোনও পদক্ষেপ তাদের এক্তিয়ারে নেই।

কিন্তু প্রবাসী ভারতীয়র আইঞ্জীবিরা তা মানতে চাননি। তারা বলেন, কমিশনের হাতে প্রচুর ক্ষমতা আছে। সঠিক ভাবে প্রয়োগের আবেদন জানান তারা সুপ্রীম কোর্টে।

প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ সেই মতো নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন।

আর তার পরেই ভারতের ভোটের বাজারে অভূতপূর্ব ভাবে নোটিশ জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, যোগী আদিত্যনাথ ও মায়াবতী ১৬ এপ্রিল সকাল ছটা থেকে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হবেন। আদিত্যনাথ তিনদিন, মায়াবতী দুই দিন।

কোথাও কোনও সভা নয়, কোনও সংবাদ পত্রে বিবৃতি নয়, এমনকি সবচেয়ে সহজ লভ্য সোসাল মিডিয়াতেও কোনও রকম ভাষণ বন্ধ এই দুজনের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *